বিক্রয়মূল্য থেকে পণ্যের দাম বাদ দিলেই মার্জিন হয় না। ফেসবুক বা ওয়েবসাইটের একটি অর্ডারে অ্যাড খরচ, প্যাকেজিং, কুরিয়ার চার্জ, সিওডি কাটা আর ফেরত আসা পার্সেলের খরচও থাকে।
এই ক্যালকুলেটর প্রতি পাঠানো অর্ডারে এসবই গোনে। রিটার্ন কত হলে লাভ শূন্যে নামবে, আর কাঙ্ক্ষিত মার্জিন পেতে দাম কত রাখতে হবে, সেটিও দেখায়।
অ্যাড খরচ কেন প্রতিটি পাঠানো অর্ডারে ধরা হয়
কাস্টমার পার্সেল নিক বা না নিক, অ্যাডের টাকা তো চলে গেছে। তাই ফেরত পার্সেলের ক্ষতিতেও অ্যাড খরচ, প্যাকেজিং আর অন্য খরচ রাখা হয়। এজন্যই খাতায় মার্জিন ভালো দেখালেও হাতে টাকা কম থাকতে পারে।
প্রতি পাঠানো অর্ডারে অ্যাড খরচ পেতে মাসের অ্যাড খরচকে সেই মাসে পাঠানো অর্ডারের সংখ্যা দিয়ে ভাগ করুন।
যে রিটার্নে লাভ শূন্য
এই হারে ডেলিভারি হওয়া অর্ডারের লাভ শুধু ফেরত পার্সেলের ক্ষতি মেটাতেই শেষ হয়ে যায়। আপনার আসল রিটার্ন এর কাছাকাছি হলে সামান্য বাড়লেই পণ্যটিতে লোকসান হতে পারে। কোনো পণ্যে অ্যাড বাড়ানোর আগে নিজের হারের সাথে মিলিয়ে নিন।